কারো ক্ষতি করলে আল্লাহ ভয়াবহ সাজা দিবে

আইকোনিক ফোকাস ডেস্কঃ মুমিনরা সর্বদা তার দ্বিনি ভাইদের কল্যাণকামী হয়। তারা কখনো অন্যের ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করে না।ইসলামের শিক্ষা হলো, সর্বদা অন্যের উপকার করার চেষ্টা করা। কারণ যারা মানুষের উপকার করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। এর বিপরীতে যারা অন্যের ক্ষতিসাধনের সুযোগ সন্ধানে লিপ্ত থাকে, মহান আল্লাহ তাদের সাময়িকভাবে ছাড় দিলেও তাদের কখনো ছেড়ে দেন না। দুনিয়া হোক কিংবা আখিরাত, এই গুনাহের শাস্তি তাদের অবশ্যই ভোগ করতে হবে।

 

কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, কাউকে কষ্টে ফেলে দেওয়া কল্যাণ বয়ে আনে না; বরং এগুলো মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মহান আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত করে দেয়।

 

মহান আল্লাহ নিজেই যার বিরোধী হবেন, তার চেয়ে হতভাগা আর কে হতে পারে? মহান আল্লাহ তাদের মন থেকে অপরাধবোধটাও তুলে দেন, ফলে তারা অন্যের ক্ষতি করে, অন্যের হক নষ্ট করে গর্ববোধ করে, যা তাদের পূর্ণ ধ্বংসের দিকে টেনে নেয়। তাদের দেউলিয়া করে দেয়। তাদের যশ-খ্যাতি তাদের কোনো উপকারেই আসে না। তারা পাহাড়সম আমল নিয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির হলেও এগুলো তাদের কোনো কাজেই আসবে না।

 

কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কারো রক্ত প্রবাহিত (হত্যা) করেছে, কাউকে মারধর করেছে, ইত্যাদি অপরাধও নিয়ে আসবে। সে তখন বসবে এবং তার নেক আমল হতে এ ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে, ও ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে। এভাবে সম্পূর্ণ বদলা (বিনিময়) নেওয়ার আগেই তার সৎ আমল নিঃশেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। মহান আল্লাহ সবাইকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। সুবুদ্ধি ও হিদায়াত দান করুন।আল্লাহর কথা মেনে চলুন।

 

Leave a Reply

Translate »