আইকোনিক ফোকাস ডেস্কঃ পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেও যে মূল নায়কের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হওয়া যায়, আবুল খায়ের ছিলেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেও নব্বই দশকের বাঙালির হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে আছেন বোকা বাক্সের জাদুকর হিসেবে।
হুমায়ূন আহমেদের নাটকে তিনি যখনই পর্দায় এসেছেন, দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখেছে। কখনো তিনি ‘এইসব দিনরাত্রি’র সেই স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষটি, যার ‘সুখী নীলগঞ্জ প্রজেক্ট’ আজও মধ্যবিত্তের অপূর্ণ স্বপ্নের প্রতীক। আবার কখনো ‘বহুব্রীহি’র সেই সন্দেহবাতিক এমদাদ খন্দকার কিংবা ‘আজ রবিবার’-এর খেপাটে বড় চাচা, প্রতিটি চরিত্রকে তিনি নিজের ছাঁচে গড়ে নিয়েছিলেন।
ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস’-এর বাউল কিংবা জেলে থেকে শুরু করে নাটকের এই শহুরে অভিভাবক; সবখানেই তাঁর বিচরণ ছিল রাজসিক। ২০০১ সালে এই দিন তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। ২৫ বছর হয়ে গেল তিনি নেই, তবু তার ভরাট কণ্ঠের সেই ধমক আর মায়া আজও দর্শকের কানে বাজে।