আইকোনিক ফোকাস ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পূর্ব দিকে ঘন বনের মতো আছে। সেই বনের ধারেই একটি মুদি দোকান। আশপাশে আর কোনো দোকানপাট নেই। দোকানে ঝুলছে কলা, পাউরুটি, পটেটো চিপসসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এই দোকানেই চিপস কিনতে এসেছে দুই ভাইবোন মারুফ আর বৃষ্টি। কিন্তু অবাক কাণ্ড, তাদের চিপস দিচ্ছে না দোকানি। এমন না যে ফাউ চিপস চাইছে তারা। বৃষ্টির হাতে ১০ টাকার একটা নোট। তাও চিপস দিচ্ছে না দোকানদার।






খালি বলছে, এটা সত্যিকারের দোকান না, শুটিংয়ের জন্য বানানো হয়েছে, এখান থেকে কিছু বিক্রি করা যাবে না। বিষয়টি তারা বুঝতেই পারছে না। শুধু শুটিংয়ের জন্য এভাবে দোকান সাজানো যায়, এটা তারা ভাবতেই পারছে না।






বনের ভেতরেই আসাদ সরকার পরিচালিত ‘জীবন পাখি’ সিনেমার শুটিং চলছে। এ জন্য সেখানে একটি ঘরের সেট ফেলা হয়েছে। পাশেই বানানো হয়েছে এই দোকান। কাজের সুবিধার্থে বাইরের কাউকে কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না। দূরে দাঁড়িয়ে শুটিং দেখছেন আশপাশের লোকজন। দোকানির চরিত্রে অভিনয় করছেন আজমল হুদা।






শিশুদের বিদায় করতে অগত্যা একটা চিপসের প্যাকেট বৃষ্টির হাতে তুলে দিলেন তিনি। টাকা দিয়ে বৃষ্টি চলে যাচ্ছিল, আবার ডেকে তাকে টাকাটা ফেরত দেওয়া হলো। দোকানি কেন টাকা ফেরত দিচ্ছেন, এটাও এই দুই শিশু বুঝতে চায় না। কারণ, আগের শটে দোকানি সিনেমার প্রধান চরিত্র আজাদ আবুল কালামের কাছে কলা ও পাউরুটি বিক্রি করে ৫০ টাকা নিয়েছেন। এই সব লেনদেনকে শিশুরা বাস্তব মনে করেছে। অবশেষে বিনা পয়সায় এক প্যাকেট চিপস পেয়ে দৌড় দেয় দুই ভাইবোন।