Bangladeshi Entertainment Magazine

প্রযুক্তি বাজারে ভয়াবহ চিপ সংকট!

0 131

আইকোনিক ফোকাস ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি বাজারে এখন চলছে ভয়াবহ রকমের চিপ সংকট। প্রযুক্তির দেশ চীনে এই সংকটটা খুবই বেশি। তবে সংকটের এই ঢেউ এখনও বাংলাদেশে আসেনি। ঢেউ পৌঁছাতে আরও এক থেকে দুই মাস লেগে যেতে পারে। চিপের সংকট না থকলেও দেশে কম্পিউটারের সিপিইউ’র (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) সংকট চলছে। দেশের বাজারে বর্তমানে ইন্টেল ও এএমডির সিপিইউ সংকট দেখা দিয়েছে। দেশের প্রযুক্তি বাজারের হালনাগাদ খবর জানতে গিয়ে এসব তথ্যই উঠে এসেছে।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২২ সালের আগে এই চিপ সংকট দূর হচ্ছে না। আবার লকডাউনের এই সময়ে ইন্টেল ও এএমডির সিপিইউ সংকট থাকলেও সরবরাহ স্বাভাবিক আছে মাদারবোর্ড, হার্ডড্রাইভ ও র‌্যামের। দেশে ল্যাপটপের বিক্রি নেমে গিয়েছিল ৪০ শতাংশে। চলতি মাসের শেষে বা আগামী মাসের শুরুতে কিছু সংখ্যক ল্যাপটপ দেশে ঢোকার কথা। লকডাউনের কারণে তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদি ল্যাপটপগুলো বাজারে আসতে পারে, তাহলে যে বিক্রি ৪০ শতাংশে নেমে গিয়েছিল, তা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে উঠে যাবে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করেন।

বিশ্বজুড়ে এখন চলছে চিপ সংকট। এই সংকট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকট কাটতে আগামী বছর নাগাদ লাগতে পারে। কয়েকটি খাতে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে ২০২২ সালে।

ফলে এখনই এ বিষয়ে সতর্ক করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। বৈশ্বিক সংকটের কারণে সেমিকন্ডাকটর শিল্পে ভগ্নদশার সৃষ্টি হয়েছে বলেও দাবি প্রতিষ্ঠানটির। বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলেছে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি করবে এই চিপ সংকট। বিষয়টি নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে।

চিপ নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের পার্টনার পিটার রিচার্ডসন বলেন, ‘চিপ সরবরাহের মধ্যে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সেমিকন্ডাকটর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।’

প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবসাকে জরুরি সেবার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে বিসিএস। সংগঠনটির দাবি- করোনাকালে প্রযুক্তি জগত সচল রাখতে তারা ভূমিকা রাখছে। সময় মতো কম্পিউটার, হেডফোন, স্পিকার, রাউটার, নেটওয়ার্কিং পণ্য পৌঁছে দিয়ে সচল রেখেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীদের অনলাইন ক্লাস, মিটিং এবং বিনোদনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার অনুষঙ্গ জায়গা মতো পৌঁছে দিয়ে করোনাকালে সবকিছু সচল রাখতে তারা সচেষ্ট থাকলেও জরুরি সেবা ঘোষণা না করায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সেবা দিতে গিয়ে বেগ পেতে হয়েছে। ফলে প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবসা খাতকে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণার জোর দাবি জানিয়েছে বিসিএস।

Comments
Loading...